About Me

My photo
JATRABARI , Dhaka, Bangladesh
I'm different, Damn your opinion. I have a passion for perfection, I like to challenge myself, and I appreciate diversity. I'm committed to personal aesthetics, excel in finding problems and solutions, and have a driving force to create. I have boundless imagination and an open mind. Disclaimer : I am a real person. I struggle, and I sparkle. I'm no longer afraid to say what makes Me angry, sad,or what I think is unfair. I'm not scared to admit that at time I feel worthless, lost or not enough. I'm also not hiding from love, beauty, aliveness, blessings or abundance anymore. I will not edit the sad,angry for f*cked up part of my story, or the holy magnitude of my triumphs to make anyone comfortable. I'm a real person. I struggle and I sparkled. Warning: Don't Believe All The Rumors You Hear About Me, because The Truth Is Much Worse! I'm not perfect. Never have been & never will be...

Friday, April 17, 2015

অতঃপর মখলেছের খায়েশ পূরণ (গল্পোটা কাল্পনিক। অতীত বা সাম্প্রতিক কোন ঘটনার সাথে মিল খুঁজতে গিয়ে বিভ্রান্ত হবেন না!)

অতঃপর মখলেছের খায়েশ পূরণ হইল! তবে মখলেছের খায়েশ পূরণ হওয়াটা অতটা সহজ ছিল না বটে। যদি শুরু থেকে দেখিতে হয়, তবে ভবপুর জেলার কুসুমপুর গ্রামে নজর ফেলিতে হইবে। আর প্রত্যুশের প্রথম দৃষ্টিটিই পড়িবে গ্রামের পেছনের নিরীহ পাটক্ষেতটিতে!
পাটক্ষেতের আইল ধরিয়া কিছুদূর ভিতরে গিয়া বসিলে বাহির থেকে দেখা যায় না, কে মলত্যাগ করিতেছে! মখলেছ তাই সকাল সকাল বদনা সহকারে পাটক্ষেতের পানে রওনা হয়। এই সময়টা কেউ ডাকিলে কিংবা পথ আগলাইলে তাহার ভালো লাগে না। কারণটি এমন নয় যে প্রকৃতি তাকে সকাল বেলাতে প্রবল বেগে ডাকে। বরং মূল কারণটি হচ্ছে ঠিকঠাক সময়মত বসিতে পারিলে, অর্ধেক কর্ম সম্পাদন হওয়াকালীন সময়ে সখিনা এই পথটি দিয়া মলত্যাগ করিয়া ফিরে।
সখিনা যখন প্রায় কাছাকাছি চলিয়া আসে, তখন খুব একটা ক্যোঁৎ মারিয়া প্রবল শব্দে বায়ু নির্গত করিয়া নিজের অবস্থান জানান দেয়া যায়। এতে করিয়া প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়া সখিনার সামনে বিব্রত তো হইতে হয়ই না বরঞ্চ সখিনাকে খুব একটা বিরক্ত করা হয় বৈকি! বায়ু নির্গমনের শব্দে সখিনা যখন উড়িয়া গিয়া আইল ছাড়িয়া পাটক্ষেতে পড়ে, তখন বিরক্ত হইয়া মা-বোন সংক্রান্ত বেশ কিছু গালি গালাজ করে। সকাল সকাল সখিনার গালি শুনিতে বেশ লাগে। কলিজা শীতল হইয়া যায় একেবারে। বাঁচিয়া থাকাটা মনে হয় স্বার্থক!
এমনই মলত্যাগ এবং বায়ুত্যাগ করিয়া যখন মখলেছের প্রেমময় জীবনে ভ্রমর কিংবা মাছি উড়িয়া বেড়াইতেছিল, তখনই সে খবরটি পাইল। কীভাবে কীভাবে যেন এসএসসি এবং এইচএসসি দুই পরীক্ষাতেই এ প্লাস পাইয়া বসিয়াছিল মখলেছ। তাহার স্পষ্ট মনে আছে এসএসসিতে একটি এবং এইচএসসিতে দুইটি পরীক্ষায় সে অংশগ্রহণই করে নাই। তারপরও কীভাবে এই এ প্লাস বস্তুটি জুটিল তাহা সে কিছুতেই মিলাইতে পারিতেছিল না। আর এই দিয়া কি হইবে, তাহা বোঝার কোন চেষ্টাও করিল না।
কিন্তু এ প্লাসের মূল মাহাত্ম্য সে বুঝিতে পারিল যখন এলাকার এক বড়ভাই বলিল সে ঢাকায় বড় বিদ্যাপীঠের ভর্তি পরীক্ষার জন্য খুব একটা আগাইয়া গিয়াছে। কিন্তু আগাইয়া গিয়া কি হবে, তা নিয়া মখলেছের মোটেও কোন উৎসাহ দেখা গেল না। কেননা এলাকার যত বড়ভাই ঢাকায় বড় বিদ্যাপীঠে পড়িয়াছে, তাহাদিগকে সারাটা দিন শুধু পড়াশোনা করিতেই দেখিয়াছে। সে মোটের উপর কোন পড়াশোনা না করিয়া কীভাবে ঢাকায় বড় বিদ্যাপীঠে পড়িবে, ইহা সে কোনভাবেই ঠাহর করিতে পারিল না।
অবশেষে যখন সেই একই বড়ভাই প্রশ্নপত্রের একটি কপি আনিয়া দিয়া বলিলেন, এই প্রশ্নখানা হুবহু পড়িয়া ল। ইহাতেই কাজ হইবে। তখন মখলেছ সারাদিন সারারাত প্রশ্নসমূহের উত্তর মুখস্থ করিয়া পরীক্ষা দিতে গেল। পরীক্ষা হলে গিয়া যখন দেখে হুবহু একই প্রশ্ন আসিয়াছে, তখন মখলেছের খুশীর আর সীমা রইল না। আর এতে করিয়াই মখলেছের নাম ভর্তি পরীক্ষার ওয়েটিং লিস্টের উপরের দিকে থাকিল।
কোনমতে একটি সাবজেক্ট পাইয়া যখন ভার্সিটিতে ভর্তি হইতে গেল, তখন লাল লাল নীল নীল বাত্তি এবং হরেক রকমের ললনা দেখিয়া তাহার লালা ঝড়িতে লাগিল। কোথায় গ্রামের সখিনা আর কোথায় ঢাকার ললনা। কেউ কেউ তো আবার এমন জিন্স পড়িয়াছে, যাহা পড়িবার সাধ্য তাহার নিজের এখনো হয় নাই। প্রথম দুই চার ঘণ্টা যখন মখলেছ ললনাবৃন্দের বক্ষযুগলে তাকাইয়া ছিল, তখন পর্যন্ত মাথায় ব্যাপারটি কাজ করে নাই যে, ললনাদের অনেকে ওড়নাই পড়ে নাই। তাইতো বলি, বক্ষগুলি এতো স্পষ্ট করিয়া কেন দেখা যাইতেছিল? ব্যাপারটা যখন সে বুঝিতে পারিল, তখন তখনই বাথরুমে গিয়া দুইটা ডিগবাজি দিয়া, সে যে কি “অমৃত” দেখিয়াছে, তাহা উদযাপন করিয়া আসিল।
কিন্তু শুধু ললনা দেখিয়া সময় পাড় করিলে তো আর চলিবে না। থাকার একটি ঠাই ও তো খুঁজিয়া লইতে হইবে। বড় ভাই তাহার হলের ঠিকানা দিয়া বলিয়াছিল, ঢাকায় আসিলে যোগাযোগ করিতে। তাই মখলেছ আপাতত ললনাদের মায়া ত্যাগ করিয়া বড় ভাইয়ের পানে ছুটিল। বড়ভাই হলে উঠাইবার ছলে তাহারও বড়ভাই এবং হলের সভাপতি কুদ্দুছ ভাইয়ের সহিত সাক্ষাৎ করাইয়া দিল। কুদ্দুছ ভাই বলিলেন হলে থাকিলে সবার সাথে মিলিয়া মিশিয়া থাকিতে হইবে। এই বলিয়া মখলেছের মতই আরও কিছু চিড়িয়াকে দেখাইয়া দিল। আর বলিয়া দিল জেনারেল সেক্রেটারি মিশেলের দলের কারো সাথে আবার মিশিতে যাইও না বরং উহাদের কাউকে পাইলে ভরপুর ঠেঙ্গাইয়ো। নয়তো উহারা তোমাদিগকে ঠেঙ্গাইতে কার্পণ্য করিবে না।তাহার এলাকার বড়ভাইও কুদ্দুছ ভাইয়ের এই কথাতে সম্মতিসূচক মাথা নাড়াইল। যে বড় ভাই শুধুমাত্র একটি প্রশ্ন দিতে গিয়া পাঁচ হাজার টাকা লইয়াছিল, সে চার-পাঁচ বছর থাকার বন্দোবস্ত করিয়া দিয়া একটি টাকাও লইল না। শুধু বলিল সেক্রেটারির দলের কাউকে পাইলে ঠেঙ্গাইতে হইবে। ইহা যে মখলেছের জন্য কোন বিষয় নয়, সেটি মনে হয় বড় ভাইরা টের পায় নাই। এলাকায় একটি শালুক থেকে আরম্ভ করিয়া বাজারের চা খাওয়া পর্যন্ত যে নানাবিধ কারণে মখলেছের নানান জনকে ঠেঙ্গানোর অভ্যাস আছে, বড় ভাইরা মনে হয় তাহা জানে না।
তবে কুদ্দুছ ভাই মাথায় তেল দেওয়াতে যে তাহাকে নায়ক সাকিব খানের মত লাগিতেছে, এইটি বলিয়া মখলেছ বেশ বিপাকে পড়িয়া গিয়াছিল। তাহার এলাকার বড়ভাই যখন তাহাকে শুধরাইয়া দিল যে উহা তেল নয়, উহাকে বলে “জেল” তখনই একমাত্র মখলেছ বুঝিতে পারিল, ঢাকার চালচলন কুসুমপুরের মত নয়।কুসুমপুরের তিসির তেল কে এখানে “জেল” বলা হয়। কিন্তু চোর-ডাকাত-রাজনীতিবিদরা মাঝে মাঝে মামলা খাইয়া যেখানে যায়, সেটিও তো “জেল”! এমন প্রশ্ন করাতেই বাঁধিল মূল গোলযোগ। কুদ্দুছ ভাই বেশ চটিয়া গিয়াছিল এবং বেশ কিছুদিন তাহার সামনে থেকে দূরে দূরে থাকিতে হইয়াছে। যদিও সেক্রেটারি গ্রুপের সকলকে ঝেটিয়া হল হইতে বিদায় করার পর কুদ্দুছ ভাইয়ের রাগ কিছুটা পড়িয়াছিল। উপরন্তু উপহারস্বরূপ মিলিয়াছিল কিছু লাল পানি আর “জেল” এর একখানা কৌটা।
এবং দেখিতে দেখিতে মখলেছ, কুদ্দুছ ভাইয়ের কাছের লোক হইয়া গেল। একদিন তাই মখলেছ তাহার এতো কাছের বড় ভাই কুদ্দুছ ভাইকে মুখ ফুটিয়া মনের কথাটা বলিয়াই ফেলিল।
মখলেছ বলিল, ভাই, এই যে এতো এতো সুন্দরী কন্যারা এইখানে ওড়না পড়ে না, এই ব্যাপারটি লইয়া কি কিছু বলিবেন ভাই? কুদ্দুছ ভাই বেশ রাগিয়া গিয়া বলিলেন, ব্যাটা, তুই কি স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি নাকি? যে যাহার ইচ্ছামত পোশাক পড়িবে তাহাতে তোর কি বে?
মখলেছ মিন মিন করিয়া বলিল, কিন্তু ভাই, আমার যে ধরিয়া দেখিতে ইচ্ছা করে। কুদ্দুছ ভাই হতাশ হওয়ার মত একটি শব্দ করিয়া বলিলেন, শুধু ধরিয়া নয়, তুমি খুলিয়াই দেখিও, তবে এ বেলায় নয়। পহেলা বৈশাখ এখানে হাজার হাজার ললনা আসিবে। তাহারা যদিও শাড়ি পড়িয়াই আসিবে। কিন্তু তাহার পরেও তোমরা একত্রিত হইয়া উহাদিগকে ঘেরাও করিয়া, শুধু ধরিয়া নয়, খুলিয়াও দেখিও। আর শোন, বাথরুম করার পরে পানি ঢাল না কেন? তোমাদের ব্লক হইতে বারংবার রিপোর্ট আসিতেছে, তোমরা কি আমাকে সভাপতি থাকিতে দিবে না নাকি?

Monday, April 13, 2015

একলা থাকার পিনিকই আলাদা

আমি একজন অতি খারাপ মানুষ!! শুধু মদ গাঁজা খাওয়া হয় নি বলে নিজের গায়ে ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ খারাপের তকমাটা দিতে পারছি না...
জি !! আমি অতীব খ্যাঁত! জঙ্গল থেকে উইঠা আসছি! এবং ভয়াবহ পর্যায়ের    লেবেনডিস ! আমার সংস্পর্শ যে কারো জন্যই ধ্বংসাত্মক...
আমি সিঙ্গেল কিনা এইটা দিয়া কারো কিছুই আসা যাওয়ার কথা না।কাহারো  সহিত প্রেম করিবার বিন্দু মাত্র খায়েস আমার নাই।। প্রেম নিবেদন করিবার মত অনেক  চক্ষম, চুচু, সিলিকন টাইপ  আসেপাশের  এলাকাতেই আছে... আমারে ক্ষ্যেমা দিয়া ত্যাগোরে খুইজা বাইর করাই ভালো। থ্যেংকু।।আমার সম্পর্কে সর্ব সাধারনের  ধারনা ভুল ! আমি খুব Low Profile-এর একজন মানুষ! দিন আনি দিন খাই! ফাইজলামি আর মোটা দাগের শালীনতা বিরোধী  রসিকতা আমার লাইফের পুঁজি! that's it..
 গুরুর  আশীর্বাদ আমার জীবনে "ঠাডা"রূপে বারবার ফিরে আসে।

Sunday, April 12, 2015

হালুয়া টাইট


বাংলা ভাষায় একটা শব্দ আছে হালুয়া টাইট। বিচিত্র কারনে আমি সেই হালুয়া টাইট স্টেজের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি।
আমি একজন অতিসাধারণ মানুষ!! অনেকটা গাধা প্রজাতির মানব সন্তান! পেটের ধান্দায় কেরানিগিরি করি ঠিকই কিন্তু মান অভিমান বোধ সূক্ষ্ম!! বড় কোন কিছু ঘটলে তা গায়েও লাগে না, কিন্তু জগতের ছোট ছোট ঘটনা গুলি আমাকে আহত করে!! সে ভাবনায়  কর্নফুলীর পারে পা ঝুলিয়ে হাওয়া খেতে ইচ্চে করে।
স্থান কাল বিচার না করে হুট করে একটা মানুষ সম্পর্কে তার কৃত কর্মের জন্য Generalized Comment  করা ঠিক না। ফজরের ওয়াক্তে পুকুর ঘাটে চোরকে চুরি শেষে গোসল করতে দেখে হুজুর কিন্তু ঠিকই ভাবে বেচারা মহা ভদ্রলোক। নামাজের জন্য পাক পবিত্র হতে আসছে। এদিকে চোর কিন্তু ঠিকই মুচকি হেসে হুজুরকে দেখে বলে- ব্যাটা চোরের বাচ্চা চোর। চুরি কইরা মুখ কুলি কইরা সাধু সাজতে আইসে... Know the truth before you speak something weird about people. Your silence may not hurt Him/Her, but your wrong statements do..
কি বীভৎস ব্যাপার!! ভয়ঙ্কর কিছু চোখে পড়লেই আমার আকাশ ভাঙ্গিয়া মুত্র আসে। বাধ ভাঙ্গা মুত্রের চাপ সংবরণ করে আমি সুখী সুখী চেহারা করে কল্পনার রাজ্যে কাজু বাদাম চাবাই......
আকাশ অন্ধকার হয়ে আসছে! আজ সন্ধ্যায়ও ঝড় নামবে! আমি কি মন খারাপ করে কুনো ব্যাঙের মত ঝিম মেরেই গর্তে মুণ্ডু ঢুকিয়ে বসে থাকবে?? নাকি ঝড়ের মধ্যে দ্রুত পা চালিয়ে ঝাপসা চোখে হারিয়ে যাবে অচেনা কোন প্রান্তরে???
'"There's the way it ought to be. And there's the way it is."
 আমি যে কি!! মাথায় এক ছটাক ঘিলুও নাই। আফসোস !!!


Friday, April 10, 2015

যার বিয়া তার খবর নাই, পাড়াপড়শির ঘুম নাই


আমাদের সামনের বাসার HipHop ছেলেটা গলায় মালা আর কানে দুল আর হাতে চুরি পড়ে মেয়েদের কোলে বসে যখন University তে  Class  করতো, BMA -তে তখন হয়তো আমি washroom-এর দরজা লাগিয়ে চিৎকার করে কাঁদতাম। সারা গায়ে কাঁটা ছেঁড়া আর দাগ নিয়ে যখন ছুটিতে বাড়ি ফিরতাম সবাই দেখে ফেলবে এই ভয়ে fulshirt  খোলার সাহস পর্যন্ত কোরতাম না। আকাশ অন্ধকার করা বর্ষায় জানালার বাইরে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টির ফোঁটাগুলা টোকা মারতে মারতে মোনে পড়তো সেই মহান HipHop ছেলেটি এক হাতে Bargar আর বগলে অনিন্দ সুন্দরীকে নিয়ে জীবনের অপার সুখে কি অভূতপূর্ব লীলাখেলা উপভোগ করছে... খারাপ লাগতো!! আহা, কত সুন্দর মানুষের জীবন... এভাবে বিন্দু বিন্দু ঘাম আর রক্তের গল্পগুলো পিছনে ফেলে এসেছি আজকের আমি।
 আমি বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াতাম... আহা!! কি অপূর্ব দৃশ্য!! HipHop ছেলেটি ঠিক আগের মতই গলায় মালা, কানে দুল, কাধে ঝোলা আর বগলে Girlfriend  নিয়ে Class সেরে ক্লান্ত দেহে বাড়ি ফিরছে।। এই প্রথম বোধহয় অন্য কারো সুখ দেখে এতো ভালো লাগতে শুরু করলো।( ভাই! আপনি শত রমণীর স্বামী হন! শুভ কামনা রইলো) কিংবা কে জানে দূর থেকে হয়তো সুখী সুখী অভিনয়ের ভেতরে আটকে পরা মানুষের হতাশাগুলো দেখতে ভালোই লাগে...
জীবনের যাবতীয় দুঃখ কষ্ট দেখেও না দেখার ভান করার একটা ভুতুরে স্বভাব আমার আছে ভাই!! তাই আমি আর কিছু বললাম না!!
কোন এক আমলে বলেছিলাম বিয়ের বাজারে Millitary Cadet -এর দাম ২ দিনের বাসি টেংরা মাছ থেকেও কম। কারন শাশুড়ি সম্প্রদায়ের ধারনা – ‘ Those Guys Die Faster ’ এই অমহান অপ্রিয় সত্যটা  শাশুড়ি সম্প্রদায়ের জনৈক এক প্রতিনিধি আমারে জিগ্যেস করে বললেন- ‘ বাবা! ঘটনা কতটুকু সত্যি? ’ আমি হতাশ চোখে বললাম- ‘ The Cow Eats Rice, মোটামুটি এই লেভেলের সত্যি ’ মাননীয় শাশুড়ি সম্প্রদায়ের সেই মহান প্রতিনিধি আহত হলেন। আমি বললাম – Aunty, আপনার মেয়েতো ভয়াবহ লেভেলের ভালো ছাত্রী। পিথাগোরাসের উপপাদ্য এক নিঃশ্বাসে গরু রচনার মত আওড়াতে পারে। এই শ্রেণীর মেয়েদের জীবনবোধ অনেক কম । ওর কাছে Nail Polish -এর গন্ধ আর বৃষ্টি নামার পরে ভেজা মাটির গন্ধের কোন পার্থক্য নাই। বই এর পাতার বাইরে কিচ্ছু জিজ্ঞেস করলে সে চোখ ট্যারা করে তাকিয়ে থাকবে। ওর জন্য পান খাওয়া পেট মোটা থলথলে শরীরের ব্যবসায়ি জামাই perfect । ভদ্র মহিলা মুখের উপর ফোন রেখে দিলেন। আজকালকার ছেলেরা মহা ফাযিল আর বেয়াদপ এই ব্যাপারে তার কোনই সন্দেহ নাই।শাশুড়ি সম্প্রদায়ের প্রাণী সম্পর্কে আমার ধারনা খুব সীমিত। তাদের বড় বড় দাঁত নখ থাকে কি না জানা নাই। থাকলেও মাঘি পূর্ণিমার রাতে তারা জামাই বাবুর হাত কামড়ে ধরেন কিনা তাই বা কে জানে?? আমার নিজের কোন শাশুড়ি নাই। মা খালারা স্টার জলসায় শাশুড়ি গোত্রীয় যেসব প্রাণী দেখে থাকেন বাস্তবতা ঐরুপ হলে মহা বিপদ। ছোটবেলায়  Drawing পরীক্ষায় সাপ, ব্যাঙ,কলা কত কিছু আঁকতাম। কিন্তু class 2 এর বাচ্চার drawing পরীক্ষায় যদি এমন প্রশ্ন আসতো- ‘ একটি শাশুড়ি গোত্রীয় প্রাণীর চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো’ তাহলে বাচ্চারা কি আঁকতো??...
 আচ্ছা, এমন কোন মেয়ে নাই দুনিয়ায় যে পিথাগোরাস দেখতে পারে না?? Samuelson এর নাম শুনলে ঘিন্নায় ভ্রু কুচকায়? লাইফের বেইল যার কাছে ২ পয়সা নাই?? যে মহান নারী  বৃষ্টিতে ভিজতে জানে?? এমন কেউ নাই যে ভুত প্রেমিক?? ছাঁদে পানির Tank- এ পা ঝুলিয়ে যার সাথে গল্পো করা যায়।যে বোয়ামে আঙ্গুল ডুবিয়েে আচার খায়। অার কৌটার মুখে জিহবা লম্বা করে দিয়ে গুঁড়া দুধ কিংবা Horlicks খায়। যে তেলাপোকা ভয় পায়, টিকটিকি দেখে পিলে চমকে উঠে। কিন্তু রাত ২টায় ফ্রিজ খুলে মিষ্টির বাক্সের উপর  থেকে একটা চুরি করার সময় বলবে !! আসো সেলফি তুলি।। ” আহা!! যার কাছে জীবনের স্বাদ শাড়ি,গয়নার বাক্সে বন্দী না।যার দিনে ৩বার Parlor -এ যেতে হয়না।
এমন কেউ নাই যার সাথে ছুটির দিনে সিদ্দিকা কবিরস রসিপি কিংবা Youtube-এ Tutorial দেখে খিচুড়ি রাঁধতে গিয়ে হাত পুড়িয়ে ফেলা যায়!! ( এর আগে Life Insurance  এবং  ORSaline Company-র সাথে আজীবন চুক্তি থাকা আবশ্যক!!) তারপরও নিজেদের রেসিপিতে বানানো খিচুড়ি খেয়ে পেটে বিস্ফোরণ হইলেও আফসোস নাই...
তারপর ১০০ তলা ছাঁদের কার্নিশে পা ঝুলিয়ে পুড়ে যাওয়া হাতে বরফ ঘোষতে ঘোষতে মনে হয়- ‘ নাহ! জীবনটা তো মন্দ না’


Friday, April 3, 2015

জীবনের সংজ্ঞা এক এক মানুষের কাছে এক এক রকম।

শুনেছি স্বপ্ন নিয়ে মানুষ নাকি বেঁচে থাকে। জীবনের চলার পথে স্বপ্ন নাকি মানুষের এক অপরিহার্য সহযোগী।যুগে যুগে মানুষ স্বপ্নের রকমফের করেছে। পরিবর্তন করেছে স্বপ্নের সংজ্ঞাকে। শুনেছি কেউ কেউ নাকি স্বপ্নকে আশা বলে ব্যক্ত করতেই পছন্দ করেন। তো সেই রকম কত স্বপ্নই না আমরা দেখে থাকি জীবনে। বিশেষত একজন বাঙ্গালীর স্বপ্ন দেখার সংজ্ঞাটা এবং পরিধিটা বেশ বড়।
ভুল সময়ে ভুল ট্রেনে উঠে ভুল স্টেশনে নেমে যাওয়া কিংবা ভুল দরজায় কড়া নেড়ে যাওয়ার মাঝেও আনন্দ আছে। সঠিক পথে ফিরে আসার আনন্দ, ভুল বুঝতে পারার আনন্দ, ভুল সময়ে পাশে থাকা আপন মানুষদের চিনতে পারার আনন্দ। কেউ যদি সব সময় সঠিক কাজই করতে থাকে, সে এই আনন্দগুলো থেকে বঞ্চিত হবে। তাই হটাত কোন ভুলে বিচলিত হবেন না। মনে রাখবেন, এর মাঝেই কোন আনন্দ বিদ্যমান আছে।

ক্ষমতা ও রাজনীতি


কোনো এক ককটেলীয় কারণে রাজনৈতিক দলগুলো ‘আলাপ’ করতে ভালোবাসলেও ‘সংলাপ’ করতে চায় না। অথচ গণতন্ত্রের জন্য শারীরিক কসরতের চেয়ে চোয়ালের ব্যায়াম বেশি প্রয়োজন। ডেমোক্রেসির মুকুট ‘সংলাপ’ ছাড়াই আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নাকি এগিয়ে চলেছে-এটি পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য! শরৎবাবু বেঁচে থাকলে হয়তো বলতেন, ‘অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে, কিন্তু সংলাপ-সমঝোতা ছাড়াই গণতন্ত্র টিকিয়া আছে।’ সত্যিই সেলুকাস, কী টেকসই এই গণতন্ত্র!
ছেলেবেলা থেকেই শুনে আসছি, সবাই সংলাপ চায়। কিন্তু কেউ কথা রাখেনি। সংলাপের দেখা আর মেলেনি। পেয়েছি সংঘাতের সন্ধান-মানুষ মরছে, গাড়ি পুড়ছে! সংলাপের অভাবে অ্যাক্টিভিস্টরাহাত-পায়ের ভাষায় মনের ভাব প্রকাশের সুযোগ পেয়েছে। রেজাল্ট হিসেবে পাবলিকের লাশ পড়ছে। এসব অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গেলেও পুরস্কার হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে নিরাপত্তাহীনতারগ্যারান্টি! তাই আবালবৃদ্ধবণিতারকাছে আপাদমস্তক গণতন্ত্রই আজ প্রশ্নবিদ্ধ! বিদ্রোহী কবি বেঁচে থাকলে নিশ্চয়ই লিখতেন,
‘ভোর হলো দোর খোলো
খোকনমণি ওঠো রে,
মারছে যারা আমাদের
দিচ্ছি তাদের ভোটও রে!’
সবাই সংলাপের কথা বললেও শর্তের গর্তে পড়ে সংলাপ বাবাজি মুহুর্মুহু শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করছে! সংলাপ ইঞ্জিনিয়ারিংয়েরখপ্পড়ে পড়ে বাংলার আকাশে আজ দুর্যোগের ঘনঘটা। কে আমাদের আশা দেবে, কে আমাদের বারোটা বাজার হাতথেকে বাঁচার ভরসা দেবে? তবে কি ‘পৃথিবীতে সংলাপ বলে কিছু নেই’? জনগণের জীবন এখন ‘Life of Pi’-এর মতো!
সংলাপহীন সংঘাতময় পৃথিবীতে বেঁচে থাকাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আফসোস, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য আমাদের শরীরে এক্সট্রা কোনো ফিচার নেই। অথচ বাকি সব জীবেরই আত্মরক্ষার কোনো না কোনো উপায় আছে। শেয়াল পণ্ডিত শত্রুকেখেয়াল করামাত্র পয়ঃ স্প্রে করতে করতে দৌড়ে পালায়! নিজেকে বাঁচানোর জন্য কোনো প্রাণী রং পাল্টায়, কেউবা দলবেঁধে চলাফেরা করে। প্রাণী ও উদ্ভিদদেহে আছে কাঁটা, লেজ, শিং, শুঁড়-নানা কনফিগারেশনের কতশত স্ট্রাকচার! অথচ মানুষ চাইলেও বিপদ দেখে পাখির মতো উড়ে পালিয়ে যেতে পারে না; ম্যাজিকের সাহায্যে নিজেকে গায়েব করে ফেলতে পারে না। বরং ক্ষমতালোভীরা পাখির মতো মানুষ মারে; চাইলে গুমও করে ফেলতে পারে। সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান কেবল কল্পনাতেই সম্ভব; বাস্তবে আমরা সবাই হিউম্যান।
জানি, সৃষ্টির বেদনা আছে। এও জানি, ‘যাহা চাই তাহা ভুল করে চাই’! তবুও চাই, সংলাপের মাধ্যমেএগিয়ে চলুক গণতন্ত্রের ধারা। রাজনীতিবিদদের কাছে অনুরোধ, যে সংলাপ দলীয় কার্যালয় থেকে এসে জাতীয় জীবনে অমর হয়ে রবে, তেমনি একটি সংলাপ আমাদের উপহার দিন প্লিজ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে যেন বলতে পারি, ‘সংলাপ’ একবার এসেছিল নীরবে। আসুন, ক্ষমতায় না, মমতায় বাঁচি!আমরা জানি যে আপনারাও জানেন, ক্ষমতার চেয়ে মমতা লক্ষ-কোটিগুণ বেশি শক্তিশালী!

কর্পোরেট কামলা


বাবুরাম চাকুরে
কোথা যাস বাপুরে
আয় বাবা দেখে যা
CV খানা রেখে যা
যে লোকের চোখ নেই
দাঁত নেই নখ নেই
ছোটে সে তো হাটে না
ছুটি ছাটা নেয় না
করে না কো উৎপাত
খায় শুধু নুনভাত
সেই লোক জ্যান্ত
ধরে ক’টা আনতো
নিয়ে দাস খতে সইটা
দেই তারে JOBটা

আলোকিত পরিবার

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত বছরের শেষ আলোচনা সভায় আলোচ্যসূচী ছিলো, "আলোকিত পরিবার" সেখানে বলা হয়, বাবা মা দের সবচেয়ে বড় ভুল এটাই...