শকুনের দোয়াতে গরু মরার ইতিহাস নাই। শকুনের দোয়ায় গরু মরলে অঙ্কে রসগোল্লা পাবার পর আমার বদ দোয়ায় আমার স্কুলের সব অঙ্ক টিচার বংশ শুদ্ধা কিডনির পাথর বাস্ট হয়না, নাইলে যক্ষ্মা, ধনুষ্টঙ্কার, হুপিং কাশি, রানি ক্ষেত, এইডস আর ইবলা হয়ে মারা যেতো............. এই কথা বলার উদ্দেশ্য একটাই। আপনার নিন্দুক, সমালোচক, কিংবা শত্রু - এদের খারাপ চোখে দেখার কিছু নাই। তাদের করতে দিন না আপনাকে এক বস্তা ঘৃণা, এতে বিচলিত হবার কিছু নাই, স্রষ্টাকে নালিশ জানানোরও কিছু নাই...... জাস্ট মাথায় রাখবেন, Haters don't really hate you, they hate themselves cause you are a reflection of what they wish to be......
The thousand shades of faith and the light of hope! (অনুভূতি নয়, দীর্ঘশ্বাস লিখি।) [সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : আতেলদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, বদহজমের জন্য লেখক দায়ি নয়। ]
About Me
- Tazrian's Dairy
- JATRABARI , Dhaka, Bangladesh
- I'm different, Damn your opinion. I have a passion for perfection, I like to challenge myself, and I appreciate diversity. I'm committed to personal aesthetics, excel in finding problems and solutions, and have a driving force to create. I have boundless imagination and an open mind. Disclaimer : I am a real person. I struggle, and I sparkle. I'm no longer afraid to say what makes Me angry, sad,or what I think is unfair. I'm not scared to admit that at time I feel worthless, lost or not enough. I'm also not hiding from love, beauty, aliveness, blessings or abundance anymore. I will not edit the sad,angry for f*cked up part of my story, or the holy magnitude of my triumphs to make anyone comfortable. I'm a real person. I struggle and I sparkled. Warning: Don't Believe All The Rumors You Hear About Me, because The Truth Is Much Worse! I'm not perfect. Never have been & never will be...
Friday, May 22, 2015
DemoCrazy
গণতন্ত্র জিনিসটা আসলে কি? খায় না মাথায় দেয়?? গনতন্ত্র কি কোন অস্ট্রেলিয়ান গাভীর প্রসবজাত সন্তান নাকি দেশটাকে চেটেপুটে খাওয়ার কোন অদ্ভুতুরে স্পিরিচুয়াল কনসেপ্ট ?? গণতন্ত্র একটা উদ্ভট বস্তু। জিনিসটা অনেকটা কান কাঁটা নির্লজ্জের মত। ক্ষুধার জ্বালায় আপনি যখন দরজা বন্ধ করে চিৎকার করে কাঁদেন, আপনার বুক ভাঙা আর্তনাদ কখনোই গনতন্ত্রের শ্রবণ যন্ত্রের ফুঁটা দিয়ে ভেতরে ঢুকে না। স্বার্থপর চিল খেয়ে নিয়েছে গনতন্ত্রের চোখ। তাই টানা আট মাসের বেতন না পেয়ে মোল্লা ব্যাপারী যখন সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়ে – এই বীভৎস নারকীয় দৃশ্য কখনোই দেখতে পায় না মহান গণতন্ত্র। গনতন্ত্রের বিবেকটাও পচে গেছে। শরীরের যে সব স্নায়ুগুলো অনুভুতি রিসিভ করে সেগুলোও ফরমালিনের নোংরা লিকুইডে ফরজ গোসল করা। গণতন্ত্রের বসবাস তাই অনুভূতিহীন এক হিমশীতল জগতে। পোকা ধরেছে গণতন্ত্রের মহান শরীরে। হয়েছে যক্ষ্মা। ক্রমাগত রক্ত কাশির সাথে গণতন্ত্রের গলা দিয়ে বেড়িয়ে আসছে যকৃত, পাকস্থলি আর অণ্ডকোষ...
গণতন্ত্রের আজ ক্যান্সার। পেটে ডজন খানক টিউমারের বিষ নিয়ে আই.সি.ইউ এর হিমশীতল ঘরে বসে চিকিৎসার বদলে নির্বোধ গণতন্ত্র আজও টিভিতে বিকিনি পড়া মেয়েদের ডিস্ক ড্যান্স দেখায় বেস্ত ! কিন্তু ভাই- যার মাথা, ব্যাথা তো তারই হওয়া উচিৎ। মাঝখান থেকে আমি আপনি চিল্লা ফাল্লা করে কোন লাভ আছে?? আপনার পেট ব্যাথায় আমি পেরাসিটামল/ নাপা খেয়ে কোন ফায়দা কি?? শেষ কথা ঃ এক লম্পট প্রেমিক পুরুষ দরবেশের কাছে গিয়ে জানতে চাইলো- “ বাবা, বিয়ের আগে ছেলে মেয়ে একই বিছানায় ঘুমানো কি কোন পাপ?? দরবেশ মূত্রাশয়ে হাত বুলাতে বুলাতে জবাব দিলেন- “ বিয়ের আগে ছেলে মেয়ে এক বিছানায় ঘুমানো তো কোন পাপ না রে ব্যাটা !! কিন্তু মুশকিল হইলো তোরা তো ঘুমাছ না...!!! ” যা বলছিলাম। রাজনীতি করাটা পাপ না। কিন্তু রাজনিতির সাইনবোর্ড গলায় ঝুলিয়ে ক্ষমতার অপব্যাবহার করাটা কিন্তু মহাপাপ।
গণতন্ত্রের আজ ক্যান্সার। পেটে ডজন খানক টিউমারের বিষ নিয়ে আই.সি.ইউ এর হিমশীতল ঘরে বসে চিকিৎসার বদলে নির্বোধ গণতন্ত্র আজও টিভিতে বিকিনি পড়া মেয়েদের ডিস্ক ড্যান্স দেখায় বেস্ত ! কিন্তু ভাই- যার মাথা, ব্যাথা তো তারই হওয়া উচিৎ। মাঝখান থেকে আমি আপনি চিল্লা ফাল্লা করে কোন লাভ আছে?? আপনার পেট ব্যাথায় আমি পেরাসিটামল/ নাপা খেয়ে কোন ফায়দা কি?? শেষ কথা ঃ এক লম্পট প্রেমিক পুরুষ দরবেশের কাছে গিয়ে জানতে চাইলো- “ বাবা, বিয়ের আগে ছেলে মেয়ে একই বিছানায় ঘুমানো কি কোন পাপ?? দরবেশ মূত্রাশয়ে হাত বুলাতে বুলাতে জবাব দিলেন- “ বিয়ের আগে ছেলে মেয়ে এক বিছানায় ঘুমানো তো কোন পাপ না রে ব্যাটা !! কিন্তু মুশকিল হইলো তোরা তো ঘুমাছ না...!!! ” যা বলছিলাম। রাজনীতি করাটা পাপ না। কিন্তু রাজনিতির সাইনবোর্ড গলায় ঝুলিয়ে ক্ষমতার অপব্যাবহার করাটা কিন্তু মহাপাপ।
Friday, May 15, 2015
কিন্তু সেই পেরে ওঠা আর কখনো হয় না … … …
আমাদের চারপাশে অগণন আকাঙ্ক্ষার দীর্ঘ তালিকা । এই ইঁদুর দৌড়ে এতোটাই মগ্ন আমরা যে তাতে আমাদের মনের গহীনের সুকোমল অংশটুকুকে যার পর নাই অনায়াস গ্রাস করে নিচ্ছে অদৃশ্য এক Athletic Track। আমাদের অজান্তে, কিংবা কখনো কখনো আমাদের সাগ্রহ সমর্পণে । এই প্রাপ্তির লাগামহীন তেষ্টা সারাক্ষণ অন্তর্গত আবেগ ও সুকুমার অনুভূতিগুলোকে হটিয়ে তারিযে দিচ্ছে জীবনের মঞ্চ থেকে। তারপর বিহব্বলতায় বিদ্যুতস্পৃষ্ট মৃত কাঠের মতোন চলছে বাকীটা জীবন । অথচ তখনো বুকের ভেতর স্বপ্ন ওই মরা কাঠে একদিন হঠাৎ গজিয়ে উঠবে সবুজ পাতা । সেখানে মুগ্ধ-বিমোহিত করবে ভীষণ উজ্জ্বলবর্ণ চেনা কিংবা অচেনা কোনো ফুল ! হায় !!! কী আশ্চর্য হন্তারক সময় ।জীবনের জন্যে আজ আর এতোটুকু ব্যাকুল হয়না কোনো বেকুব ! বিনিময় বানিজ্যের হিসেবের মারপ্যাঁচ ঢুকে গেছে যেনো আজ মনুষ্য মস্তিষ্কের প্রকোষ্ঠে প্রকোষ্ঠে ! নিপূণ নির্মাণ করে যাচ্ছে অলৌকিক এক মর্মন্তুদ রক্তপাতহীন জীবন বিনাশের তূণ । এখানে এতোটাই আকাল তোমার, হে জীবন ! হে সৃষ্টিশীল প্রাণবন্ত ভ্রুণ ! আমাদের চারপাশে দ্বিধা । পায়ে ও আষ্ঠে পৃষ্ঠে শিকল । আমরা ভাবি নিরন্তর । আমরা স্বপ্ন দেখি অবিরাম … অথচ জোছনা মাখতে কখনো নামিনা মাঠের মগ্ন নগ্নতায় ! আমাদের স্বপ্নের কাছে পৌঁছুতে আমাদেরই তীব্র বিবমিষা। সম্ভাবনার স্বপ্ন ফ্রেমে সেঁটে তুলে রাখি তাকে ফ্রিজে ও ফ্রিজারে।
আমি কখনো বলিনি । বলিনি কথাটা আজো ! যদি শুনে ফেলে কেউ … আর ভাবে কি আহাম্মক ব্যাটারে !!! এইভাবে অবিরাম চলতে থাকে নিজের সংগে প্রতারণার পর্ব এক পর্ব দুই থেকে পর্ব অনন্ত ! মন যখন আকুলি বিকুলি করে , তার হাতে সন্তর্পণে ধরিয়ে দেয়া হয় নানান সম্ভাবনার ফ্রেম ! ব্যাস ! জীবন তো মামুলি ! এক হাতের কড়ায় গোনা যায় এক কুড়ি ! ধুত্তুরি !!!!!!!
আমি কখনো বলিনি । বলিনি কথাটা আজো ! যদি শুনে ফেলে কেউ … আর ভাবে কি আহাম্মক ব্যাটারে !!! এইভাবে অবিরাম চলতে থাকে নিজের সংগে প্রতারণার পর্ব এক পর্ব দুই থেকে পর্ব অনন্ত ! মন যখন আকুলি বিকুলি করে , তার হাতে সন্তর্পণে ধরিয়ে দেয়া হয় নানান সম্ভাবনার ফ্রেম ! ব্যাস ! জীবন তো মামুলি ! এক হাতের কড়ায় গোনা যায় এক কুড়ি ! ধুত্তুরি !!!!!!!
Tuesday, May 12, 2015
Overthink
এক ভদ্রলোক পাউরুটির উপর স্কয়ার বসিয়ে কঠিন গানিতিক সমীকরণে প্রমান করলেন ঈশ্বর বলে কিছু নাই। মাতৃ গর্ভে থাকা শিশুটার কিন্তু মনে হতেই পারে পৃথিবীটা বোধ হয় অন্ধকার, পৃথিবীতে আলোর কোন অস্তিত্ব নাই... খুব অদ্ভুত জীব আমরা !! অদেখা ভুবনে আমাদের বিশ্বাস খুব কম।। আপনি মরবেন কিনা আমি জানি না, কিন্তু আমার অস্তিত্ব যে পৃথিবীতে ক্ষণস্থায়ী সেটা আমি বিশ্বাস করি। তাছাড়া কোটি কোটি টাকা খরচ করে অমরত্ব পাবার ঔষধ কেনার টাকাও আমার কাছে নাই। মামা চাচার সুপারিশে বিধাতা এই বিশ্ব জগতে আজীবন ক্যেচকি মেরে মুরগীর ঠ্যাং চাবানোর সৌভাগ্য করে দিবেন সেই সম্ভনাও কম। আজ হোক, কাল হোক, মৃত্যুর স্বাদ একদিন পেতে যাচ্ছি এই ব্যাপারটা মোটামুটি নিশ্চিত। তাই চোখের সামনে Supernatural কিছু যখন ঘটে (যেমন ভূমিকম্প) , আমি স্বার্থপরের মত নিজেকে নিয়ে শঙ্কিত হই। আবার সঙ্গত কারনে নিজেকে অনেক ভাগ্যবানও মনে হয়...(কারন এখোনো বেচে আছি!)
খুব অল্পো সময়ের জন্য এই গ্রহে আমাদের বসবাশ ( বানান ভুল ইচ্ছাকৃত) ! মানুষ হিসাবে এমন কিছু করা ঠিক না যাতে নিজের বেক্তিত্ত থেকে নর্দমার গন্ধ বের হয় , আর স্বয়ং ইবলিশও যার সংস্পর্শে যেতে অপমান আর হতাশায় ডুবে যায়।। কারো উপকারে না আসেন ভাই, নাক ডুবিয়ে অন্য মানুষের ক্ষতি করার কি দরকার??
যতটুকু প্যাঁচগোচহীন সাধারন থাকা যায়। পারলে simplicity-র সর্বচ্চ সিঁড়িতে চেপে দাঁত কেলিয়ে বসে থাকুন। চার পাশের সবাই যখন অসাধারণ হতে গিয়ে না চাইতেও সাধারনের কাতারে মিশে যাচ্ছে , আপনি না হয় শুধুমাত্র সাধারন হতে গিয়ে ওদের চেয়ে একটু অসাধারণ থাকুন... “মাইরা ফালামু, ফাইরা ফালামু, এক রানে পাড়া দিয়া আরেক রান টাইনা ছিঁড়া ফালামু” – আসুন এইটাইপ বিকারগ্রস্ত মানসিকতা থেকে সবাই বেড়িয়ে আসি।
If you are still alive, be thankful to Almighty ALLAH (SWT). Be thankful to HIM for giving you one more chance to say sorry and repent to HIM for what you did on earth! The soul that departed , it could be you brother!! But still you are not !!! See how fortunate you are still you have time to say sorry and ask forgiveness from ALLAH What are you waiting for ??Are you thinking that from tomorrow you are going to rectify yourself and ask mercy from your Lord who actually created you???
খুব অল্পো সময়ের জন্য এই গ্রহে আমাদের বসবাশ ( বানান ভুল ইচ্ছাকৃত) ! মানুষ হিসাবে এমন কিছু করা ঠিক না যাতে নিজের বেক্তিত্ত থেকে নর্দমার গন্ধ বের হয় , আর স্বয়ং ইবলিশও যার সংস্পর্শে যেতে অপমান আর হতাশায় ডুবে যায়।। কারো উপকারে না আসেন ভাই, নাক ডুবিয়ে অন্য মানুষের ক্ষতি করার কি দরকার??
যতটুকু প্যাঁচগোচহীন সাধারন থাকা যায়। পারলে simplicity-র সর্বচ্চ সিঁড়িতে চেপে দাঁত কেলিয়ে বসে থাকুন। চার পাশের সবাই যখন অসাধারণ হতে গিয়ে না চাইতেও সাধারনের কাতারে মিশে যাচ্ছে , আপনি না হয় শুধুমাত্র সাধারন হতে গিয়ে ওদের চেয়ে একটু অসাধারণ থাকুন... “মাইরা ফালামু, ফাইরা ফালামু, এক রানে পাড়া দিয়া আরেক রান টাইনা ছিঁড়া ফালামু” – আসুন এইটাইপ বিকারগ্রস্ত মানসিকতা থেকে সবাই বেড়িয়ে আসি।
If you are still alive, be thankful to Almighty ALLAH (SWT). Be thankful to HIM for giving you one more chance to say sorry and repent to HIM for what you did on earth! The soul that departed , it could be you brother!! But still you are not !!! See how fortunate you are still you have time to say sorry and ask forgiveness from ALLAH What are you waiting for ??Are you thinking that from tomorrow you are going to rectify yourself and ask mercy from your Lord who actually created you???
Saturday, May 9, 2015
friendly friends
Throughout the busybody livelihood in complex cosmopolitan society , it’s easy to lose touch with old friends and it can be hard to develop new friendships. The ditigal age has complicated this process as well by changing the way friends interact. As phone calls have been exchanged for text messages and social media has replaced the need for face-to-face interaction, gatherings with friends often become fewer and farther between. But there’s growing evidence that genuine friendships may be very important in terms of our personal and professional life. Friends can have a big influence over how we feel, think, and behave. Friends can help bring out the best in us without expecting perfection. They can remind us not to take life too seriously, as well as give us that much needed boost when we’re feeling discouraged. Friends are likely to come and go throughout the seasons of our life. Job changes, moving to a new city, and get married are among the many things that may shift the friendships in our life. The demands of life and a busy career can move friends to the bottom of the priority list at times. It may be wise however, to re-evaluate the role friends play in your life.
ক্যেমন বন্ধু চাই.....!!? Reloaded ( সৎ সংগে সর্গবাস অসৎ সংগে সহ'বাশ', I mean গোয়ায় বাশ)
আমি সবার সাথে সহজে মিশতে পারিনা।বন্ধুত্ব বা স্বখ্যতার ভাব আমার স্বভাবে খুবই কম।আমি বর্ণচোরা প্রাণী একা থাকতেই বেশী পছন্দ করি। তবে কালে ভদ্রে কারো কারো সংগে কিছুটা মনের মিল যে হয়নি এমনটা নয়।
অামি যাদের সাথে বন্ধুভাবাপন্ন হোই, তাদের কিছু মৌলক গুনের উপস্থিতি দেখে।না, বড় ডিগ্রী, ভালো চাকরি, এমন কিছুনা। এগুলো মেয়েরা খুজে বিয়ে করার জন্য,আমি ছেলে মানুষ আর আমার কারো কাছে বিয়ে বোসতে হবে না।আমি কারো সাথে কথা বলা বা চিন্তা ভবনা / Idea shear করার জন্য তাদের কাছেই যাবো যারা বচন, বসন, ভূষণে একজন ভদ্রলোক।
আমি আমার ক্ষুদ জীবনের স্বল্প অভিজ্ঞতা দিয়ে দেখেছি বড় ডিগ্রীর বা নামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইনবোর্ড ধারিরা অনেক নাক উচু ( অহংকারী) হয়।ভালো / বড় পদ,পদবি, পদক "ধারী" (ধারী= ধূর্ত) দের দেমাগে মাটিতে পা পরেনা।অথচ কিছুকাল আগেও এদের ফোকিন্ন অবস্থা ছিলো।কিছু লোকজনের সাথে দূর্ভাগ্যক্রমে দেখা বা পরিচয় হয়েছে যারা উচ্চমার্গের 'চোর',সারাক্ষণ চুরির চিন্তায় থাকে।আরেক গ্রুপ আছে ভাব মারার তালে, তাদের ভাবের শেষ নাই । ভাবটা কি? মাইরা ফালামু, কাইটা ফালামু, এক রানে পাড়া দিয়া আরেক রান ছিড়া ফালামু। চিনোস আমারে আমি কার "আলু" , না থুক্কু "খালু''!!?
এতো কথা বলার পর মনে হবে আমি মানুষ পছন্দ করিনা। তা নয়, যাদের বচন,বসন, ভূষণে Grace, Elegance এবং simplicity আছে,যার Personality হবে Authentic, Dynamic, and Versatile, মোট কথা ব্যেক্তিত্ব থাকবে কিন্তু অহংকার থাকবে না। Humble হবে, Attitude দেখায় না এমন কোনো ভদ্রলোকের সাথে আমার বন্ধুত্ব হতে পারে।( বাংলায় বুঝাতে না পেরে ইংরেজীর আশ্রয় নিলাম)। যার Quality এবং Qualifications একটা আরেটাকে Complement কোরবে। শুধু Qualification display কোরলে সেটা যদি personal quality -র complementary না হয় তবে খুব মেকি লাগে। যতটুকু প্যাঁচগোচহীন সাধারন থাকা যায়। পারলে Simplicity-র সর্বচ্চো সিঁড়িতে চেপে দাঁত কেলিয়ে বসে থাকুন। চার পাশের সবাই যখন অসাধারণ হতে গিয়ে না চাইতেও সাধারনের কাতারে মিশে যাচ্ছে , আপনি না হয় শুধুমাত্র সাধারন হতে গিয়ে ওদের চেয়ে একটু অসাধারণ থাকুন...
আঞ্চলিকতা, অন্ধো রাজনৈতিক দল ভোক্তি , গোয়ার স্বভাব, নিজেরটাই ঠিক দর্শন, আমি একটা কিছু হইছি বাকিরা ত্যেজপাতা, পুঠিমাছের কোইলজা, street smart হিরু টাইপ বাঙ্গুরা যতোই IBA, Harvard, Cambridge অথবা জগু, জাঙ্গু থেকে বিদ্যার বোড়ি গুল্লি বানায়া খায়া আসুক, আমার কাছে এদের জন্য দুই পয়সার বেইল নাই।
Ego জিনিসটা বেচতে নাই। দুনিয়া উল্টায় গিয়ে মঙ্গল গ্রহের পেটের ভেতর ঢুকে গেলেও না...
অামি যাদের সাথে বন্ধুভাবাপন্ন হোই, তাদের কিছু মৌলক গুনের উপস্থিতি দেখে।না, বড় ডিগ্রী, ভালো চাকরি, এমন কিছুনা। এগুলো মেয়েরা খুজে বিয়ে করার জন্য,আমি ছেলে মানুষ আর আমার কারো কাছে বিয়ে বোসতে হবে না।আমি কারো সাথে কথা বলা বা চিন্তা ভবনা / Idea shear করার জন্য তাদের কাছেই যাবো যারা বচন, বসন, ভূষণে একজন ভদ্রলোক।
আমি আমার ক্ষুদ জীবনের স্বল্প অভিজ্ঞতা দিয়ে দেখেছি বড় ডিগ্রীর বা নামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইনবোর্ড ধারিরা অনেক নাক উচু ( অহংকারী) হয়।ভালো / বড় পদ,পদবি, পদক "ধারী" (ধারী= ধূর্ত) দের দেমাগে মাটিতে পা পরেনা।অথচ কিছুকাল আগেও এদের ফোকিন্ন অবস্থা ছিলো।কিছু লোকজনের সাথে দূর্ভাগ্যক্রমে দেখা বা পরিচয় হয়েছে যারা উচ্চমার্গের 'চোর',সারাক্ষণ চুরির চিন্তায় থাকে।আরেক গ্রুপ আছে ভাব মারার তালে, তাদের ভাবের শেষ নাই । ভাবটা কি? মাইরা ফালামু, কাইটা ফালামু, এক রানে পাড়া দিয়া আরেক রান ছিড়া ফালামু। চিনোস আমারে আমি কার "আলু" , না থুক্কু "খালু''!!?
এতো কথা বলার পর মনে হবে আমি মানুষ পছন্দ করিনা। তা নয়, যাদের বচন,বসন, ভূষণে Grace, Elegance এবং simplicity আছে,যার Personality হবে Authentic, Dynamic, and Versatile, মোট কথা ব্যেক্তিত্ব থাকবে কিন্তু অহংকার থাকবে না। Humble হবে, Attitude দেখায় না এমন কোনো ভদ্রলোকের সাথে আমার বন্ধুত্ব হতে পারে।( বাংলায় বুঝাতে না পেরে ইংরেজীর আশ্রয় নিলাম)। যার Quality এবং Qualifications একটা আরেটাকে Complement কোরবে। শুধু Qualification display কোরলে সেটা যদি personal quality -র complementary না হয় তবে খুব মেকি লাগে। যতটুকু প্যাঁচগোচহীন সাধারন থাকা যায়। পারলে Simplicity-র সর্বচ্চো সিঁড়িতে চেপে দাঁত কেলিয়ে বসে থাকুন। চার পাশের সবাই যখন অসাধারণ হতে গিয়ে না চাইতেও সাধারনের কাতারে মিশে যাচ্ছে , আপনি না হয় শুধুমাত্র সাধারন হতে গিয়ে ওদের চেয়ে একটু অসাধারণ থাকুন...
আঞ্চলিকতা, অন্ধো রাজনৈতিক দল ভোক্তি , গোয়ার স্বভাব, নিজেরটাই ঠিক দর্শন, আমি একটা কিছু হইছি বাকিরা ত্যেজপাতা, পুঠিমাছের কোইলজা, street smart হিরু টাইপ বাঙ্গুরা যতোই IBA, Harvard, Cambridge অথবা জগু, জাঙ্গু থেকে বিদ্যার বোড়ি গুল্লি বানায়া খায়া আসুক, আমার কাছে এদের জন্য দুই পয়সার বেইল নাই।
Ego জিনিসটা বেচতে নাই। দুনিয়া উল্টায় গিয়ে মঙ্গল গ্রহের পেটের ভেতর ঢুকে গেলেও না...
Friday, May 8, 2015
এখানে মূত্রদান করিবেন না।
ছোটোবেলায় আমাদের এক শিক্ষক ছিলেন; পড়াতেন সিভিকস । তো তিনি ক্লাসে এসে প্রায়ই আমজনতার সিভিক সেন্স নিয়ে কথা বলতেন। আমরা যে তার সিভিক সেন্স বিষয়ক লেকচার উপভোগ করতাম না তা নয়। কিন্তু আমাদের জন্য বেদনাদায়ক দৃশ্য ছিলো এই যে লেকচার দিয়ে তিনি ক্লাসের কোণায় থুথু ফেলতেন থু করে।
একটি কৌতুক বলি,
একজন চাষা আর ভদ্রলোকের তফাৎ কি?
একজন চাষা নাকের ময়লা ফোৎ করে ঝেড়ে ফেলে দেয় আর একজন ভদ্রলোক নাকের ময়লা রুমালে করে বাসায় নিয়ে আসে।
নাকের লোম কারো লম্বা লম্বা। রাস্তা ঘাটে দেখি কারো নাকের লোম এতোটাই দৃষ্টিগোচর যে গোফ বলে ভ্রম হয়, কানের লোম ও দৃষ্টিকটু ব্যাপার। আরো বিরক্তিকর যখন দেখা যায় কেউ পটাপট নাকের লোম ছিড়ছে।
তারপরো একটি বিষয়ে না বললেই নয়। আর তা হলো রাস্তার পাশে মূত্রত্যাগ। ইন্টারেষ্টিং ব্যাপার হলো ঠিক যেখানে লেখা থাকে, এখানে প্রস্রাব করা নিষেধ/ এখানে মুতিবেন না/ এখানে পেচ্ছাব করলে ৫০ টাকা জরিমানা ইত্যাদি সেখানেই বঙ্গ পুরুষ ছরছর করে মুতিবে। একই ভাবে যেখানে লেখা থাকে এখানে ময়লা ফেলা নিষেধ, পাবলিক ঐখানেই ময়লা ফেলিবে।
এমন না যে এই সমস্যা শুধুমাত্র ঢাকার বা বাংলাদেশে, খোজ খবর নিয়ে জানলাম লন্ডন নগরীতে ও এই সমস্যা প্রকট। জনসমাগম কম হয় এইরকম লিফটে, আন্ডারপাসে, নির্জন রাস্তায় উৎকট মূত্রের গন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি ফোন বুথেও। বাংলাদেশের সাথে একটাই পার্থক্য এই যে এখানে রাতের বেলা মাতাল রমণীরাও রাস্তায় পেসাব /প্রস্রাব করেন।
বাঙলাদেশে ফেরত যাই।
এইতো কদিন আগেই রাস্তাঘাটে মূত্রত্যাগ ঠেকাতে এক অভিনব পদ্ধতি নেয়া হয়েছে। ভিডিওটি দেখুন।
ভিডিও বা পদ্ধতি ও কার্যকারিতা নিয়ে আমার কিছু বলার অাছে তাই কিছু ফেসবুক পোষ্ট শেয়ার করছি:
“হয় স্বীকার করুন যে হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধ ভাইয়েরা মুসলিম ভাইদের চেয়ে অনেক সভ্য (তারা মুত্র ত্যাগ করতে যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে যায় না)
অথবা বলুন যে, যেখানে সেখানে মুত্র ত্যাগ করা একমাত্র মুসলমান ভাইদের জন্যই নিষিদ্ধ হল।
এই দেশটা তো সবার রে”
ঢাকা শহরে লোকজনের যত্রতত্র মূত্র বিসর্জনের যেই সমাধান ধর্ম মন্ত্রণালয় বের করেছে তা প্রমাণ করে আমাদের দেশের লোকজন কতটা না বুঝে ধর্ম পালন করে। বাংলার পরিবর্তে আরবীতে লিখা হচ্ছে, “এখানে প্রস্রাব করা নিষেধ।” অথচ দেখা যাচ্ছে অনেকে সেই লিখাটিকে সালাম করছে। এই সমাধান সাময়িক ফলাফল আনলেও তার দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল খারাপ। মানুষকে আরো বেশী ধর্মান্ধ করে তুলবে এমন সমাধান। নিজ ভাষায় লিখা না বুঝে শুধুমাত্র পবিত্র কুর-আন শরীফের ভাষায় লিখা হয়েছে বলেই মানুষ মানছে। মানুষ কি আসলে বুঝে মানছে? নাকি আরবীতে কিছু একটা লিখা আছে বলে মানছে? তাহলে এক কাজ করা হোকসিটি কর্পোরেশন সমূহ প্রতিদিন আর রাস্তা ঝাড়ু দেয়ার দরকার কি? পুরো শহরে আরবীতে কিছু চিকা মারার ব্যবস্থা করা হোক, কেউ আর তা নোংরা করবে না।
সমাধান হতে পারতো অন্যভাবে। সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি মানুষকে শিক্ষিত করে তোলা। দুঃখিত অনেকেই এই সমাধানের প্রশংসা করলেও আমি পারলাম না।”
“রাস্তাঘাটে মূত্রত্যাগ বন্ধে ধর্ম টেনে আনার যে মানসিকতা সেটা রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহারকে খুব ভালোভাবে ব্যখ্যা করে। সেই দিন আর দূরে নাই যেদিন জায়গায় জায়গায় পোস্টার দেখা যাবে, “কর দিন, বেহেশতের টিকেট কাটুন”, ইত্যাদি ইত্যাদি। বাংলা মুছে আরবি হরফ লেখার ভিডিও দেখে বাঙালির আহ্লাদে আটখানা হওয়ায় মাথা কুটতে ইচ্ছা করছে।”
এক্ষেত্রে ধর্মাশ্রয়ী হলে, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান দের ক্ষেত্রে কি হবে?
এখানে সহজ করে বা মোটা দাগে বলা যায়, যেহেতু বাঙলাদেশে মুসলিম জনসংখা বেশি তাই বলা যায় রাস্তায় প্রস্রাব করা জনতার বেশিরভাগ ই মুসলমান। এখন লেখা হয়েছে আরবি তে। আর আরবি ভাষায় অজ্ঞ বেশিরভাগ মুসলমানরা ধরে নিচ্ছে এটা কোরানের আয়াত বা হাদিস। যদি তা নাও হয় অনেকেই শুধুমাত্র আরবি ভাষা হবার কারণে ঐ লেখাকে সম্মান করছে। এখন কথা হচ্ছে ওটা যে আরবি ভাষা তা কিন্তু বাঙলাদেশের প্রায় সবাই জানে, তা সে যে ধর্মেরই লোক হোক না ক্যানো। কিন্তু আজ না কাল তো পাবলিক জানবেই যে আরবিতে ওখানে লেখা, এইখানে মূত্রত্যাগ করা নিষেধ।যখন পাবলিক জানবে এটা আরবি আয়াত নয় তখন কি হবে?আরবি ভাষায় যে কোরান-হাদিস ছাড়া অন্য জিনিস ও আছে তা পাবলিক বুঝবে। তখন কি আবার ঐখানে পাবলিক মূত্রত্যাগ করা শুরু করবে ?
একটি কৌতুক বলি,
একজন চাষা আর ভদ্রলোকের তফাৎ কি?
একজন চাষা নাকের ময়লা ফোৎ করে ঝেড়ে ফেলে দেয় আর একজন ভদ্রলোক নাকের ময়লা রুমালে করে বাসায় নিয়ে আসে।
নাকের লোম কারো লম্বা লম্বা। রাস্তা ঘাটে দেখি কারো নাকের লোম এতোটাই দৃষ্টিগোচর যে গোফ বলে ভ্রম হয়, কানের লোম ও দৃষ্টিকটু ব্যাপার। আরো বিরক্তিকর যখন দেখা যায় কেউ পটাপট নাকের লোম ছিড়ছে।
তারপরো একটি বিষয়ে না বললেই নয়। আর তা হলো রাস্তার পাশে মূত্রত্যাগ। ইন্টারেষ্টিং ব্যাপার হলো ঠিক যেখানে লেখা থাকে, এখানে প্রস্রাব করা নিষেধ/ এখানে মুতিবেন না/ এখানে পেচ্ছাব করলে ৫০ টাকা জরিমানা ইত্যাদি সেখানেই বঙ্গ পুরুষ ছরছর করে মুতিবে। একই ভাবে যেখানে লেখা থাকে এখানে ময়লা ফেলা নিষেধ, পাবলিক ঐখানেই ময়লা ফেলিবে।
এমন না যে এই সমস্যা শুধুমাত্র ঢাকার বা বাংলাদেশে, খোজ খবর নিয়ে জানলাম লন্ডন নগরীতে ও এই সমস্যা প্রকট। জনসমাগম কম হয় এইরকম লিফটে, আন্ডারপাসে, নির্জন রাস্তায় উৎকট মূত্রের গন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি ফোন বুথেও। বাংলাদেশের সাথে একটাই পার্থক্য এই যে এখানে রাতের বেলা মাতাল রমণীরাও রাস্তায় পেসাব /প্রস্রাব করেন।
বাঙলাদেশে ফেরত যাই।
এইতো কদিন আগেই রাস্তাঘাটে মূত্রত্যাগ ঠেকাতে এক অভিনব পদ্ধতি নেয়া হয়েছে। ভিডিওটি দেখুন।
ভিডিও বা পদ্ধতি ও কার্যকারিতা নিয়ে আমার কিছু বলার অাছে তাই কিছু ফেসবুক পোষ্ট শেয়ার করছি:
“হয় স্বীকার করুন যে হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধ ভাইয়েরা মুসলিম ভাইদের চেয়ে অনেক সভ্য (তারা মুত্র ত্যাগ করতে যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে যায় না)
অথবা বলুন যে, যেখানে সেখানে মুত্র ত্যাগ করা একমাত্র মুসলমান ভাইদের জন্যই নিষিদ্ধ হল।
এই দেশটা তো সবার রে”
ঢাকা শহরে লোকজনের যত্রতত্র মূত্র বিসর্জনের যেই সমাধান ধর্ম মন্ত্রণালয় বের করেছে তা প্রমাণ করে আমাদের দেশের লোকজন কতটা না বুঝে ধর্ম পালন করে। বাংলার পরিবর্তে আরবীতে লিখা হচ্ছে, “এখানে প্রস্রাব করা নিষেধ।” অথচ দেখা যাচ্ছে অনেকে সেই লিখাটিকে সালাম করছে। এই সমাধান সাময়িক ফলাফল আনলেও তার দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল খারাপ। মানুষকে আরো বেশী ধর্মান্ধ করে তুলবে এমন সমাধান। নিজ ভাষায় লিখা না বুঝে শুধুমাত্র পবিত্র কুর-আন শরীফের ভাষায় লিখা হয়েছে বলেই মানুষ মানছে। মানুষ কি আসলে বুঝে মানছে? নাকি আরবীতে কিছু একটা লিখা আছে বলে মানছে? তাহলে এক কাজ করা হোকসিটি কর্পোরেশন সমূহ প্রতিদিন আর রাস্তা ঝাড়ু দেয়ার দরকার কি? পুরো শহরে আরবীতে কিছু চিকা মারার ব্যবস্থা করা হোক, কেউ আর তা নোংরা করবে না।
সমাধান হতে পারতো অন্যভাবে। সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি মানুষকে শিক্ষিত করে তোলা। দুঃখিত অনেকেই এই সমাধানের প্রশংসা করলেও আমি পারলাম না।”
“রাস্তাঘাটে মূত্রত্যাগ বন্ধে ধর্ম টেনে আনার যে মানসিকতা সেটা রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহারকে খুব ভালোভাবে ব্যখ্যা করে। সেই দিন আর দূরে নাই যেদিন জায়গায় জায়গায় পোস্টার দেখা যাবে, “কর দিন, বেহেশতের টিকেট কাটুন”, ইত্যাদি ইত্যাদি। বাংলা মুছে আরবি হরফ লেখার ভিডিও দেখে বাঙালির আহ্লাদে আটখানা হওয়ায় মাথা কুটতে ইচ্ছা করছে।”
এক্ষেত্রে ধর্মাশ্রয়ী হলে, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান দের ক্ষেত্রে কি হবে?
এখানে সহজ করে বা মোটা দাগে বলা যায়, যেহেতু বাঙলাদেশে মুসলিম জনসংখা বেশি তাই বলা যায় রাস্তায় প্রস্রাব করা জনতার বেশিরভাগ ই মুসলমান। এখন লেখা হয়েছে আরবি তে। আর আরবি ভাষায় অজ্ঞ বেশিরভাগ মুসলমানরা ধরে নিচ্ছে এটা কোরানের আয়াত বা হাদিস। যদি তা নাও হয় অনেকেই শুধুমাত্র আরবি ভাষা হবার কারণে ঐ লেখাকে সম্মান করছে। এখন কথা হচ্ছে ওটা যে আরবি ভাষা তা কিন্তু বাঙলাদেশের প্রায় সবাই জানে, তা সে যে ধর্মেরই লোক হোক না ক্যানো। কিন্তু আজ না কাল তো পাবলিক জানবেই যে আরবিতে ওখানে লেখা, এইখানে মূত্রত্যাগ করা নিষেধ।যখন পাবলিক জানবে এটা আরবি আয়াত নয় তখন কি হবে?আরবি ভাষায় যে কোরান-হাদিস ছাড়া অন্য জিনিস ও আছে তা পাবলিক বুঝবে। তখন কি আবার ঐখানে পাবলিক মূত্রত্যাগ করা শুরু করবে ?
Subscribe to:
Posts (Atom)
আলোকিত পরিবার
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত বছরের শেষ আলোচনা সভায় আলোচ্যসূচী ছিলো, "আলোকিত পরিবার" সেখানে বলা হয়, বাবা মা দের সবচেয়ে বড় ভুল এটাই...
-
শামুকের মতো এক ধরনের মানুষ আছে যারা নিঃশব্দে চলে। আছে সবার সাথেই কিন্তু এদের অস্তিত্ব টের পাওয়া মুশকিল। এরা আড্ডায় আলোচনায় সব খানেই ন...
-
জীবনটা শুধু হিসেবের যন্ত্র নয় এ হিসেবও জীবনেরই মন্ত্র নয় সুখ আর দুঃখ জীবনের শর্ত হিসেবের গড়মিলে হয়ে যায় মর্ত জীবনের স্বভাব নদীর ...
-
স্বপ্ন দেখার সক্ষমতাই সম্ভবত মনুষ্য জীবের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ স্বাতন্ত্র। স্বপ্ন দেখতে পারে বলে মানুষ নিয়ত নির্মাণ করে আপন স্বভাব, সভ্যতা...
