কিছু ব্যাপার আছে যেগুলো নিজের ভেতরই জমিয়ে রাখতে হয়। তার বহিঃপ্রকাশ কোন সমাধান নয়। বরং আরো কিছু সমস্যার আগমনী বার্তা। কিচ্ছু করার নেই।কাউকে বলতে পারবো না। না পারবো সমাজকে বোঝাতে নিজের অবস্থার কথা। অভিমানের পাহাড় জমতে থাকে শুধু, সময়টা পার করা ছাড়া আর কোন সমাধান চোখে পড়েনা।
The thousand shades of faith and the light of hope! (অনুভূতি নয়, দীর্ঘশ্বাস লিখি।) [সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : আতেলদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, বদহজমের জন্য লেখক দায়ি নয়। ]
About Me
- Tazrian's Dairy
- JATRABARI , Dhaka, Bangladesh
- I'm different, Damn your opinion. I have a passion for perfection, I like to challenge myself, and I appreciate diversity. I'm committed to personal aesthetics, excel in finding problems and solutions, and have a driving force to create. I have boundless imagination and an open mind. Disclaimer : I am a real person. I struggle, and I sparkle. I'm no longer afraid to say what makes Me angry, sad,or what I think is unfair. I'm not scared to admit that at time I feel worthless, lost or not enough. I'm also not hiding from love, beauty, aliveness, blessings or abundance anymore. I will not edit the sad,angry for f*cked up part of my story, or the holy magnitude of my triumphs to make anyone comfortable. I'm a real person. I struggle and I sparkled. Warning: Don't Believe All The Rumors You Hear About Me, because The Truth Is Much Worse! I'm not perfect. Never have been & never will be...
Friday, June 12, 2015
চুল সমাচার।
ছোটবেলা থেকেই চুল আর চুল কাটানো আমার কাছে অনেক ঝোক্কি ঝামেলার ব্যাপার। পাড়ার সেলুনে চেয়ারের উপর বসার সময়টা থেকেই নাপিতের অভিযোগ আমি নাকি অনেক নড়াচড়া করি। সামরিক বাহিনীতে চাকরিরত বাবার সুবাদে প্রতিমাসে অন্তত একবার নিয়ম করে চুল কাটাতে হতো,তা আবার যেমন তেমন চুল কাটা নয়,একেবারে সেন্টিমিটার স্কেলের চুল কাটা। প্রত্যেকবার চুল কাটানোর পর আমাকে সজারুর মতো লাগতো,মনে মনে কষ্ট পেলেও কিছুই করার ছিলোনা। মনে মনে বলতাম একদিন আমিও …।
ছোট চুল রাখতে রাখতে বড় চুলের প্রতি কেমন যেন একটা ভালোবাসা জন্মে গিয়েছিল।
যাই হোক মুল কথায় আসি,চুল বড় করাটাও অনেক ঝামেলার ব্যাপার। ক্যানসারের যেমন স্টেজ আছে বড় চুলেরও বিভিন্ন স্টেজ আছে। ক্যানসারের সবচে ভয়ঙ্কর স্টেজ হচ্ছে স্টেজ ৪। আর চুল বড় করার সবচেয়ে ভয়ঙ্কর স্টেজ হচ্ছে “আজিজুল হাকিম” স্টেজ। এই স্টেজে মাথার সব চুল এক দিকে চলে আসে,মাঝে মাঝে কপালের অর্ধেকটা ঢেকে দেয়, তেল-জেল-পানি কোন কিছুতেই আর বশ মানতে চায় না। এই ভয়াবহ স্টেজটায় আছি এখন।
ছোট চুল রাখতে রাখতে বড় চুলের প্রতি কেমন যেন একটা ভালোবাসা জন্মে গিয়েছিল।
যাই হোক মুল কথায় আসি,চুল বড় করাটাও অনেক ঝামেলার ব্যাপার। ক্যানসারের যেমন স্টেজ আছে বড় চুলেরও বিভিন্ন স্টেজ আছে। ক্যানসারের সবচে ভয়ঙ্কর স্টেজ হচ্ছে স্টেজ ৪। আর চুল বড় করার সবচেয়ে ভয়ঙ্কর স্টেজ হচ্ছে “আজিজুল হাকিম” স্টেজ। এই স্টেজে মাথার সব চুল এক দিকে চলে আসে,মাঝে মাঝে কপালের অর্ধেকটা ঢেকে দেয়, তেল-জেল-পানি কোন কিছুতেই আর বশ মানতে চায় না। এই ভয়াবহ স্টেজটায় আছি এখন।
শান্তশিষ্ট লেজ বিশিষ্টো
মানব সভ্যতার ইতিহাসে নরমালি যাহারা আমার সহিত ভালো ব্যাবহার করে তাহাদের সহিত আমি ডাবল ভালো ব্যাবহার করি! কিন্তু যারা ভাব নিয়ে এমন আচরন করে যেন আমি মোড়ের গলির পান খাওয়া গোলাপি লুঙ্গি পড়া নেশাখোর চকিদার- তাদের সাথে আমি ডাবল ডাবল ভালো ব্যাবহার করি। চিল্লাফাল্লা হাওলা কাওলা, ভালো মানুষের মুখোশ পড়ে তাজমহল বেইচা খাওয়ার স্বভাব আমার ভেতর নাই। পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত পুরাটাই আমি হাই ভোল্টেজ খারাপ মানুষ। শুধু আমার প্রতি মানব সম্প্রদায়ের অপমানজনক আচরনগুলো আমি খুব হাসি মুখে মেনে নিয়ে ঐ মহান ক্যাটাগরির মানুষদের সাথে ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ ভালো ব্যাবহারের চেষ্টা করি।। ইহাকে কেউ ছ্যাঁচড়ামি ভাবিয়া থাকিলেও আমার কিচ্ছু করার নাই।। আমি মুখে হাসি রাখিয়া সারাজীবন হাই ভোল্টেজ ভালো ব্যাবহারগুলা করিয়া যাইবোই।। ধন্যবাদ।
একটা শয়তানী হাসির স্মাইলি আবশ্যক।
আমি এমনিতেই যথেষ্ট শয়তান! এক্সট্রা কিছু আর দরকার নাই।। জি ভাই, আমি স্কুলের লাস্ট বেঞ্চে বসতাম। অঙ্কে দুই পাওয়া আমার নেশা ছিলো। কলেজে লাইফে শুধু যে ক্লাস বাং দিতাম তাই না, কালে ভদ্রে মন চাইলে হুট হাট করে ১ পিরিয়ড চেহারা দেখানোর জন্য ক্লাসে যাইতাম।। সারাজীবন ফাকিবাজি কইরা শেষ বয়সে পেটের ধান্দায় কর্পোরেট কামলাগিরি করি!! আপনার কোন সমস্যা??? ছোট বেলায় থেকেই আমি ছিলাম বিন্দাস..টিচারের বেধরক মাইর ছাড়া আর কোন টেনশানই ছিলোনা আমার....।মায়ের টুকটাক মাইর ডেজার্ট ভেবে খেয়ে নিতাম..। শিশুকালে ল.সা.গু এবং গ.সা.গু নামক কষা চেহারার এক ধরনের অঙ্ক আতঙ্ক নিয়ে করতে হতো। ব্যাপারটা শুধু যে শুধু কুরুচিপূর্ণ তাই নয়, সম্পূর্ণ শালীনতাবোধ বিবর্জিত! একটা অঙ্কের নাম ক্যান গু দিয়ে হবে? এইটা কোন শ্রেণীর রসিকতা?? কোমলমতি শিশুদের মাথায় অঙ্কের নামে গু তত্ত্ব নিয়ে লাফালাফি শেখানোর কি দরকার??
something or other syndrome
চারপাশে চোখ মেলুন । দেখবেন শুধু উধাওয়ের রাজত্ব। বিদ্যালয় থেকে বিদ্যা উধাও। বুদ্ধিজীবিদের মাথা থেকে বুদ্ধি উধাও। গান থেকে কথা ও সুর উধাও। কবিতা থেকে ভাব ও ছন্দ উধাও।রাজনীতি থেকে নীতি উধাও। মন্ত্রী মিনিস্টারের পেট থেকে গিলা-কলিজা উধাও। এদের চক্ষু থেকে লাজলজ্জা উধাও।স্বর্ণের ক্রেষ্ট থেকে স্বর্ণ উধাও।বিচারালয় থেকে বিচার উধাও। মানুষের মন থেকে শান্তি উধাও। স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি উধাও।প্রেমিক-প্রেমিকার মন থেকে প্রেম উধাও। নদী থেকে পানি উধাও। মানুষের বুক থেকে সাহস উধাও। এটি উপলব্দি করার মতো বোধ ও মনন আমাদের থেকে উধাও।
Friday, June 5, 2015
Enigma
পৃথিবীর সব কিছুই তো বদলায়। দোষ শুধু ওই বেচারা মনটারই কেবল ! তাহলে সব শাস্তি তো তারই প্রাপ্য ! নাকি !
তাহলে এতো যুক্তি তর্কে মেতে লাভ কি আর !!!
জানি আপনার মনের মধ্যে এখনো নানান যুক্তি তর্কের ঝড় অগ্নুৎপাত-এর মতোন বেরিয়ে আসতে চাইছে। আবার অন্য দিকে অন্তর্গত আরেক সত্তা হাস-ফাস দম আটকে মরছে।
ওটুকু স্রেফ স্রেফ স্রেফ একান্ত আপনার। ওকে কি আপনি গলা টিপে মারবেন ! নাকি মরফিনে ডোবাবেন ! তন্দুরীর কয়লায় ঝোলাবেন ! তা একেবারে একান্তই আপনার ইচ্ছে . . .
তাহলে এতো যুক্তি তর্কে মেতে লাভ কি আর !!!
জানি আপনার মনের মধ্যে এখনো নানান যুক্তি তর্কের ঝড় অগ্নুৎপাত-এর মতোন বেরিয়ে আসতে চাইছে। আবার অন্য দিকে অন্তর্গত আরেক সত্তা হাস-ফাস দম আটকে মরছে।
ওটুকু স্রেফ স্রেফ স্রেফ একান্ত আপনার। ওকে কি আপনি গলা টিপে মারবেন ! নাকি মরফিনে ডোবাবেন ! তন্দুরীর কয়লায় ঝোলাবেন ! তা একেবারে একান্তই আপনার ইচ্ছে . . .
ইচ্ছের লাগাম
ইচ্ছের ঘোড়া দাবড়েইতো আমাদের নিত্য দিনের যাপন।
স্বপ্নের ভেতর ইচ্ছের ঘোড়ার গায়ে যখন তখন পাখা পর্যন্ত গজায়। আর সেই ঘোড়া কেবল দৌড়ে -ঝাঁপিয়ে চলে না। মন চায় তো অনায়াসে সেই পংখীরাজ যে কোনো গন্তব্যে দিব্যি উড়াল দেয়।
আর বাস্তবে ! জীবনভর হাঁটলাম কেবল পাশাপাশি। সেই ইচ্ছে ঘোড়ায় লাগাম, জিন কিছুই পরাতেও শিখিনি। চড়তে শিখাটাও খুব বেশী কঠিন ছিলো কি রপ্ত করে নেয়া ! অথচ পাশে হেটে চোখ বুঁজেই একটা জীবন পার !
সেই যে ঘোড়া দিয়ে শুরু করলাম। তাকে চাইলে এবার বাঘ, ভালুক, বানর, হনুমান যা খুশী বানিয়ে নেয়া যায়। না কাউকে বলতে হবে না এর কিয়দ গল্প কিংবা ফিরিস্তি।
খুব বেশী ভুল ভাল হলে নাহয় পরজন্মে শুধরে নেবো।
সেই পরজন্মের জন্য তিন উল্লাস !
স্বপ্নের ভেতর ইচ্ছের ঘোড়ার গায়ে যখন তখন পাখা পর্যন্ত গজায়। আর সেই ঘোড়া কেবল দৌড়ে -ঝাঁপিয়ে চলে না। মন চায় তো অনায়াসে সেই পংখীরাজ যে কোনো গন্তব্যে দিব্যি উড়াল দেয়।
আর বাস্তবে ! জীবনভর হাঁটলাম কেবল পাশাপাশি। সেই ইচ্ছে ঘোড়ায় লাগাম, জিন কিছুই পরাতেও শিখিনি। চড়তে শিখাটাও খুব বেশী কঠিন ছিলো কি রপ্ত করে নেয়া ! অথচ পাশে হেটে চোখ বুঁজেই একটা জীবন পার !
সেই যে ঘোড়া দিয়ে শুরু করলাম। তাকে চাইলে এবার বাঘ, ভালুক, বানর, হনুমান যা খুশী বানিয়ে নেয়া যায়। না কাউকে বলতে হবে না এর কিয়দ গল্প কিংবা ফিরিস্তি।
খুব বেশী ভুল ভাল হলে নাহয় পরজন্মে শুধরে নেবো।
সেই পরজন্মের জন্য তিন উল্লাস !
Subscribe to:
Posts (Atom)
আলোকিত পরিবার
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত বছরের শেষ আলোচনা সভায় আলোচ্যসূচী ছিলো, "আলোকিত পরিবার" সেখানে বলা হয়, বাবা মা দের সবচেয়ে বড় ভুল এটাই...
-
শামুকের মতো এক ধরনের মানুষ আছে যারা নিঃশব্দে চলে। আছে সবার সাথেই কিন্তু এদের অস্তিত্ব টের পাওয়া মুশকিল। এরা আড্ডায় আলোচনায় সব খানেই ন...
-
জীবনটা শুধু হিসেবের যন্ত্র নয় এ হিসেবও জীবনেরই মন্ত্র নয় সুখ আর দুঃখ জীবনের শর্ত হিসেবের গড়মিলে হয়ে যায় মর্ত জীবনের স্বভাব নদীর ...
-
স্বপ্ন দেখার সক্ষমতাই সম্ভবত মনুষ্য জীবের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ স্বাতন্ত্র। স্বপ্ন দেখতে পারে বলে মানুষ নিয়ত নির্মাণ করে আপন স্বভাব, সভ্যতা...