About Me

My photo
JATRABARI , Dhaka, Bangladesh
I'm different, Damn your opinion. I have a passion for perfection, I like to challenge myself, and I appreciate diversity. I'm committed to personal aesthetics, excel in finding problems and solutions, and have a driving force to create. I have boundless imagination and an open mind. Disclaimer : I am a real person. I struggle, and I sparkle. I'm no longer afraid to say what makes Me angry, sad,or what I think is unfair. I'm not scared to admit that at time I feel worthless, lost or not enough. I'm also not hiding from love, beauty, aliveness, blessings or abundance anymore. I will not edit the sad,angry for f*cked up part of my story, or the holy magnitude of my triumphs to make anyone comfortable. I'm a real person. I struggle and I sparkled. Warning: Don't Believe All The Rumors You Hear About Me, because The Truth Is Much Worse! I'm not perfect. Never have been & never will be...

Saturday, October 10, 2015

টিকটিকি

মানুষের সাথে অনাদিকাল থেকে বসবাস করে আসছে এই প্রাণীটি, অথচ মানুষের কোন উপকার বা অপকার কোনটাই করতে পারেনা সে। শুধুমাত্র মানুষের মনের ভেতরে যখন কোন ভাব জাগে সে কিভাবে যেন টের পেয়ে যায় এবং মানুষের ভাবনার সাথে তাল মিলিয়ে বলে ওঠে ‘টিক টিক টিক’! টিকটিকিদের এই দার্শনিক মতামত ‘ঠিক ঠিক ঠিক’ এরই যে কি মূল্য তা মানুষেরা আজো বুঝে উঠতে পারেনি। অনেকটা হোমিওপ্যাথিক বা কবিরাজি ওষুধের মতন। লেগে গেলে ধন্তধরির মতন কার্যকরী হবে আর না লাগলে আপনার ঘুনাক্ষুরেও মনে হবে না যে টিকটিকিটা আপনাকে একটা Advice দিয়েছিলো

Friday, October 9, 2015

আবোল তাবোল

আমি মানুষ। অন্যান্য মানুষদের মতই আমারও দুইখান হাত, দুইখান পা ইত্যাদি ইত্যদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পাশাপাশি স্বাভাবিক নিয়মে একখান মাথাও আছে। আর সেই মাথার উপর বর্তমানে একখানা বড়সড় আকৃতির পাহাড় উঠে বসে আছে। পাহাড়খানা কাজ দ্বারা নির্মিত । বড়ই নাছোড়বান্দা সেই পাহাড়। তবে আমিও কি কম যাই। পাহাড়টারে ঘাড় ধরে মাথা থেকে নামায়ে লিখতে বসলাম। কারণ হঠাৎ মনে হইলো আমার একখান ব্লগ লিখতে হবে। কেন লিখতে হবে সেই ব্যাপারে আমার একমাত্র মাথাকে জিজ্ঞেস করেও তেমন কোন সদুত্তর পাওয়া গেলোনা। তাই আমি ভাবলাম, উত্তর দিয়ে আর কী হবে, যাই বরং একখান ব্লগ লিখি।
পরসমাচার এই যে, এতটুকু লিখার পর আমার মনে হইতেসে, থাক, ব্লগ লিখার দরকার নাই। কিন্তু আসল কথা হইতেসে আমি চাইলেও কিছু লিখতে পারতেসিনা। একটা সময় ছিলো যখন কীবোর্ডখানা চিন্তা করার আগে আগে কতসব শব্দ টাইপ করে ফেলতো। এখন ঠেলেঠুলেও বাটনগুলারে দিয়ে কোন নতুন অক্ষর লিখানো যায়না। আমি যেমন অলস, আমার কীবোর্ডও তেমন কুড়ে। যেমন মালিক, তেমন ভৃত্য। যেমন কুকুর, তেমন মুগুর। নাহ, শেষ প্রবাদটা মনে হয় ঠিক হইলোনা। ঠিক হইলেই বা কী, বেঠিক হইলেই বা কী।

Thursday, October 8, 2015

আমাদের বায়বীয় শোক।


Selfy টা ভালো হয়নি, Coffee Shop-এ গিয়ে Checkin দিতে ভুলে গেছি, Profile Picture-এ লাইক পড়েছে মাত্র ১ টা ,পুশি বিল্লিটার লোম উঠে যাচ্ছে,
এবার Hangout -টা Lengthy হলো না।
Apple-এর New Set  এসেছে, কেনা হয়নি।Messi  ক্যেন Goal  পেলোনা!?,
বাগানের Eucalyptus টা ঠিক ভাবে বেড়ে ওঠেনি, Wading Photography-র জন্য Budget-টা Low হয়ে গেল, Finally Breakup -টা করেই ফেললাম।
বৃষ্টি এলো, মা ছাদে যেতে দিলো না।
ভীষণ প্যারায় আছি।

আমার চায়ের দোকান




প্রায়ই ভাবি, আমার একটা অফিস থাকবে, অফিসে দেরাজ থাকবে… দেরাজ ভর্তি যুক্তি থাকবে … কিছু যুক্তি টেবিলের ড্রয়ারেও রাখবো। কে জানে কখন দরকার হবে, ঘ্যাচ করে বের করে এনে আশেপাশের সব ঘ্যাচাং করে দিবো…  লক্ষ টেরাবাইটের একটা হার্ড ড্রাইভ থাকবে, কন্ট্রোল সি আর কন্ট্রোল ভি চেপে কুপোকাত করে দিবো সবাইকে… এগুলি শুধুই ভাবনা মাত্র…

কিন্তু স্বপ্নটা একটু ভিন্ন,  একটা চায়ের দোকান দিবো। নাম হবে “একা এবং কয়েক জন”। সুনীল বাবুকে চিঠিও দিয়েছিলাম, অনুমতি প্রার্থনা করে নাম ব্যবহারের জন্য। উত্তর দেননি।
ওয়ারীর বনগ্রাম রোডের চায়ের কারিগর হাফিজকেও সাথে নেবো আমাদের। ওর চা বানানোটাই সবার সেরা, চায়ের যে দুধটা সারাদিন জ্বাল দেয় সেটাতেই নাকি সমস্ত কারিগরি … চায়ের সাথে টাও থাকবে, কাউকে কিন্তু ফ্রি টা দেয়া যাবে না। দোকান লাটে উঠে যাবে যে। সন্ধ্যায়  বসে  সারাদিনের হিসাব মেলাবো। টাকার না সময়ের।
কারিগর হাফিজকে বলেছিলাম, ওকে পার্টনার করে নেব … সে অপেক্ষায় আছে। এখনও স্বপ্ন দেখে, মাঝে মাঝে খোজ নেয়, “গুছাইতে পারলেন ভাইয়া”।
আমার গোছানো এখনও হয়ে ওঠেনি। ” ওকে বলি এইতো আর কটা দিন”।
“ভাইয়া সব কিছুর দাম কইলাম বাড়তি, আপনে হিসাব কইরা নাইমেন”।

আমিও ওর মতই স্বপ্ন দেখি, আরো একবার হিসাবের খাতা নিয়ে বসি। কিছু মেলে না, হিসাব মেলে না। জমা খরচের হিসাবে পাই না।
জীবন পার হয়ে গেলো কতোগুলো বছর। স্বপ্ন ওড়ে ধরা দেয় না।




Friday, October 2, 2015

গল্পটা একটু অন্যরকম হতে পারত.......!



গল্পটা একটু অন্যরকম হতে পারত।
হ্যা। একটু অন্যরকম।

জিতু  বেশ কিছুক্ষণ ধরে বসে আছে করিডোরের বেঞ্চে।এমনিতে অনেক অশান্ত প্রকৃতির। কিন্তু আজ ওর অপেক্ষা করতে একটুও খারাপ লাগছে না। বরং বুকে একরাশ আশা। অনেক স্বপ্ন। স্টেডিয়ামে প্রাকটিস গ্রাউন্ডের পাশে বসে আছে। দূর থেকে দেখছে তার সেই স্বপ্নের মানুষ গুলোকে প্রাকটিস করতে। ও এসেছে বোলিং ট্রায়াল দিতে। ছোটবেলা থেকেই খুব ভাল ক্রিকেট খেলে। পাড়ার ক্রিকেটে ও ছিল এক ভয়ংকর নাম। স্কুল টীমের ক্যাপ্টেন হয়ে ওর  স্কুল কে চ্যাম্পিয়ন ও করেছে। ওই টুর্নামেন্টে ও ছিল হাইয়েস্ট উইকেট টেকার। স্কুল জীবন পেরিয়ে কলেজে ভর্তি হল।ওর প্রতিভা আরো ছড়িয়ে পড়ল। একটা ক্লাব ওকে টীমে ভেড়াল। লীগে  চ্যাম্পিয়ন হল সে ক্লাব। দ্বিতীয় সারি থেকে উঠে এল প্রথম সারিতে।ক্লাবের কোচ ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন ওর প্রতিভা। তাই ঠিক করলেন যে ভাবেই হোক ওকে আরো এগিয়ে নিতেই হবে। পাওনিয়ার লীগের  টীমের কোচের সাথে কথা বলে ওকে নিয়ে এলেন ট্রায়াল দিতে । জিতু  অপেক্ষায় আছে। ওর ডাক আসবে। দূর থেকে কে যেন ফাইল হাতে এগিয়ে আসছে। হয়তো ওকে ডাকতেই। জিতুর  মুখে হাত। অনেক স্বপ্ন। কিন্তু………
এই জিতু ওঠ। ওঠ। আর কতোক্ষণ ঘুমাবি? বাসের সময় হয়ে যাচ্ছে তো। মায়ের ডাকে ঘুম ভাঙে জিতুর।হুট করে বসে পড়ে। কি হচ্ছে বুঝতে একটু সময় নেয়। মা চলে যায়। আবারো বলে “তাড়াতাড়ি কর।সময় হয়ে যাচ্ছে।”
আজ জিতুর মিলিটারি একাডেমীতে যোগদান করার দিন। ক্রিকেট খেলে ভালই যাচ্ছিল জিতুর দিনগুলো । পড়াশুনায় অতো মন ছিল না। হয়ত ভাল কিছুই করতো। কিন্তু হঠাৎ ওর বাবা স্ট্রোক করে। খুব বেশি খারাপ কিছু না ঘটলেও ডাক্তার বলে উনি যেন কোন টেনশনে না থাকেন। আর কাজও আগের মত অতো বেশি করতে পারবেন না। আগের চেয়ে অনেক রিলাক্সড লাইফ কাটাতে হবে। পরিবারের বড় ছেলে জিতু । বাবা ক্রিকেট খেলাটা অত ভাল চোখে দেখতো না। বারবার পড়ায় মন দিতে বলতো। কিন্তু জিতু শুনতো না। বাবার ইচ্ছা ছিল এইচএসসি পাশ করে জিতু আর্মিতে যোগ দেবে।ও কখনো ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনি। কিন্তু। কিন্তু এবার আর কিছু করার নেই। বাবার স্ট্রোকটা হয় ওর ফার্স্ট ইয়ারের শেষের দিকেই। সব কিছু জেনে শুনে বুঝে জিতুকে পড়াশুনায় সিরিয়াস হতে হয়। ক্রিকেট ছেড়ে দেয়। এইচএসসির পর আইএসএসবি দিয়ে টিকে যায়। কাল ওর জয়েনিং ডে। আজ বাসে রওনা দিবে। কিন্তু……..

গল্পটা একটু অন্যরকম হতে পারত। দূর থেকে এগিয়ে আসা আগন্তুক জিতুর সামনে এসে দাঁড়ায়। ফাইলে কিছু একটা দেখে জিজ্ঞাসা করে “তুমি কি জিতু ?”
নার্ভাস ভঙ্গিতে মাথা নাড়ে জিতু ।
-আমার সাথে এসো। এবার তোমার পালা।
বাধ্য ছেলের মত এগিয়ে যায় জিতু । নেটের কাছে এসে থামে। একজন, সম্ভবত কোচ হাতে বল ছুড়ে দেয়। বলে “শুরু কর।”
একটু এ পাশ ও পাশ তাকিয়ে নেয় জিতু ।দূরে দাঁড়িয়ে আছে তার সেই ক্লাবের কোচ। চেহারা ঠিক দেখা যাচ্ছে না। তবে যেন বলতে চাচ্ছেন “জিতু, তুমি পারবে।”
একটা নিঃশ্বাস নিয়ে রান আপ নেয় জিতু। প্রথম বলটা ইনসুয়িং করে মিডল স্ট্যাম্প। উজ্জ্বল হয়ে ওঠে কোচের মুখ। জিতুর চোখে বিস্ময়। পরের বলটা শর্ট লেন্থে স্ট্যাম্পের উপর দিয়ে যায়। এরকম এক্সট্রা বাউন্সে কোচের চোখে বিস্ময়। এক ওভারের প্রতিটা বলেই কোচকে তাক লাগিয়ে দেয় জিতু। ওভার শেষে কোচ পিঠ চাপড়ে বলে ” ওয়েল ডান মাই বয়।”
কিন্তু………

-কিরে এখনও উঠিস নি??
মায়ের ডাকে আবারো ঘুম ভাঙে জিতুর। এবার আর চোখে কোন বিস্ময় নেই।সোজা উঠে বাথরুমে চলে যায় ফ্রেশ হতে। ব্রাশ করার সময় আয়নার দিকে তাকায়। কেমন জানি লাগছে ওর নিজেকে। কেমন অজানা। কেমন অচেনা। কিন্তু………
কিন্তু গল্পটা একটু অন্যরকম হতেও পারত।।


স্মৃতি-অনুভূতির এক অদ্ভূত খিচুড়ি এবং বেসামাল খিচুড়ি।


আমাদের সময় এমন পথে ঘাটে কদু ব্যাপারীর লুঙ্গির নিচে  রানের চিপা থেকে  ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন বের হয়ে আসতো না। আমরা মোটামুটি ঘিলু বেঁচেই পরীক্ষায় পাশ ফেলের ফায়দা লুটতাম। আমাদের শৈশবে ফেসবুক টুইটার বলে কোন বস্তুর অস্তিত্ব ছিলো না। রোজ সন্ধ্যায় আমরা মোটামুটি ঝুম বৃষ্টিতে হাঁটু পানিতে ফুটবল খেলে কাঁদা মাখামাখি হয়ে বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে মুখ লুকিয়ে হামাগুরি দিয়ে বাড়ি ফিরতাম।
আমাদের শৈশবে কে.এফ.সি, পিজা হাট ছিলো না। আমরা কমলা সবুজ পাইপ আইস্ক্রিমে সুখ টান দিয়ে খুশি থাকতাম। আমাদের সময় বিনোদন মাতা সানি লিওন কিংবা ফুড প্যাঁন্ডা নায়লা নায়িমের উৎপাত ছিলো না ।ডাক ফেস ছিলো না, সেলফি ছিলো না...
আমরা আলিফ লায়লার মত অতি হাস্যকর মেলো ড্রামা দেখেও উত্তেজনায় শিওরে উঠতাম। কারেন্ট চলে গেলে দল বেঁধে ছাঁদে বসে ভুতের গল্পের আসর জমাতাম। ভাই বোনরা মিলে খাটের উপর কুস্তি খেলে খাট বেচারার জীবদ্দশার চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করতাম।
আমরা হয়তো বড্ড সেকেলে ছিলাম , কিন্তু মনের মাঝে সুখ শান্তির কমতি ছিলো না।
হয়তো আমরা ‘কুল ডুড’ ছিলাম না, কিন্তু জীবনটা অনেক সহজ ছিলো।।
It feels good to live in memories but as soon as I realize that it's gone, It really hurts.

Devil's Advocacy

যে দেশের মানুষ শিক্ষা ও অর্থের সামর্থ্যে যত বেশী পিছিয়ে সে দেশে তত বেশী বর্বর ও বিবেক বর্জিত কার্মকান্ড সম্ভব। অর্থ আর শিক্ষায় দারিদ্রের শিকার এমন কোনো মানুষকে দিয়েই একবেলা খাবারের সমমূল্যের অর্থের বিনিময়ে সম্ভব মানুষ খুন করানো।
Accomplishments don’t erase shame, hatred, cruelty, silence, ignorance, discrimination, low self-esteem or immorality. It covers it up, with a creative version of pride and ego. Only restitution, forgiving yourself and others, compassion, repentance and living with dignity will ever erase the past.

আলোকিত পরিবার

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত বছরের শেষ আলোচনা সভায় আলোচ্যসূচী ছিলো, "আলোকিত পরিবার" সেখানে বলা হয়, বাবা মা দের সবচেয়ে বড় ভুল এটাই...